ছবির মতোই সুন্দর ছিল আমার গ্রামটা...

বর্ষা মৌসুমে নৌকা ছাড়া চলাচলের কোন উপায় থাকতোনা। যেন মহসড়কের পাশে বিচ্ছিন্ন ছোটএকটা দ্বীপ।

সমস্যা যত বড়ই হোক, আশা মানুষকে বাঁচিয়ে রাখে

আমরা অবশ্যই পারব৷ সমস্যা যত বড়ই হোক না কেন, আশা মানুষকে বাঁচিয়ে রাখে, নতুন কিছু উদ্ভাবন করতে অনুপ্রেরণা জোগায়৷ কিন্তু সমস্যাকে নিজের চোখে না দেখলে শুধু আশা দিয়ে সমস্যা সমাধান করা যায় না৷

ঘুরে আসুন নারায়ণগঞ্জের সব দর্শনীয় স্থানে

অপরূপ সৌন্দর্যে ভরপুর আমাদের বাংলাদেশের প্রায় প্রত্যেকটি জেলায়ই রয়েছে বিভিন্ন দর্শনীয় স্থান। যা আমাদের দেশকে করেছে আরো সমৃদ্ধ। শত বছর ধরে লাখো পর্যটককে করেছে আকৃষ্ট।

মানবসেবাই সর্বোত্তম ধর্ম: ফাদার তেরেসা

অসহায়, দুস্থ মানুষের সহায়তাই তার ধ্যান-জ্ঞান।সহিংসতার বিপরীতে তিনি অসহায়ের ত্রানকর্তা হিসেবে আবির্ভূত হন।তিনি পাকিস্তানের আবদুল সাত্তার ইদি।অসম্ভব মানবসেবার কারনে ৮৪ বছর বয়সী এই ব্যক্তি তার দেশে ফাদার তেরেসা নামেই বেশি পরিচিত।

‘মানসিক প্রশান্তির জন্য সাইকেল’

যাত্রা পথে পরিবহন নিয়ে দুশ্চিন্তা আর ভোগান্তি থেকে রেহাই পেতে বিকল্প হলো একটা বাই সাইকেল। তাছাড়া ইদানিং স্বাস্থ্যটার দিকেও মনে হচ্ছে একটু যত্ন নেয়া দরকার।

দিবস লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
দিবস লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

শনিবার, ১৪ জুন, ২০১৪

বাবা কতদিন...কত রাত দেখিনা তোমায়

বাবা কতদিন কতদিন দেখিনা তোমায়,/ কেউ বলেনা তোমার মত কোথায় খোকা ওরে বুকে আয়/
বাবা কতদিন কতদিন দেখিনা তোমায়।

ব্যাণ্ড শিল্পী জেমসের এই গাওয়া গানটি শোনার পর সম্ভবত পৃথিবীর কোন সন্তান নেই যে তার বাবার কথা মনে পড়েনা বা বাবার জন্য মনটা একটু হলেও কেদে ওঠেনা। এটাই সম্ভবত আবেগ। ভালবাসার আবেগ। রক্তের টান। দিন দিন আমাদের নগর জীবনের যান্ত্রিকতায় হয়তো অনেক সময় সেই আবেগ চাপা পড়ে যায়। পার্থিব চাওয়া পাওয়ার কারণে হয়তো বাবা ছেলের মাঝে তৈরী হয় একধরণের অদৃশ্য দেয়াল। বাহ্যিক সামাজিক দৃষ্টিতে যতই দেয়াল গড়ে উঠুক সন্তানের জন্য বাবার ভালবাসায় কিন্তু কোন খুত তৈরী হয়না। যেটা হয় সেটা অতি সামান্য সময়ের জন্য। হয়তো নিজেদের ব্যর্থতাগুলো ঢাকবার একটা মিথ্যা প্রয়াস। সন্তানের জন্য বাবার, বাবার প্রতি সন্তানের ভালবাসার ঘাটতি হয়না কখনোই। এই ভালবাসা অটুট থাকে চিরকাল। জাগতিক চোখ দুইটা হয়তো জলে না ভিজলেও অন্তচক্ষুতে হৃদয়ের রক্তক্ষরণ চলে সব সময়। একটু গভীর ভাবে চিন্তা করলেই সেটা ধরা পরে। এটাই বাবার প্রতি সন্তানের বা সন্তানের প্রতি বাবার ভালবাসা। এই ভালবাসা ঐশি । খোদার দেওয়া স্পেশাল মানবিক গুণ।

ভাষা ভেদে শব্দ বদলায়। স্থান ভেদে বদলায় উচ্চারণও। তবে বদলায় না রক্তের টান। জার্মানিতে যিনি ‘ফ্যাট্যা’, বাংলায় তিনি ‘বাবা’। ইংরেজ সন্তান যতটা আপ্লুত হয়ে ‘ফাদার বা ড্যাড’ ডাকে, ভারতীয়দের ‘পিতাজি’ নিশ্চয় একই ব্যঞ্জনা তৈরি করে।

বাবার প্রতি সন্তানের সেই চিরন্তন ভালোবাসার প্রকাশ প্রতিদিনই ঘটে। তার পরও পৃথিবীর মানুষ বছরের একটা দিনকে বাবার জন্য রেখে দিতে চায়। যেমনটা মায়ের জন্য করেছে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে বাবা দিবসের প্রচলন। আজ বছর ঘুরে সেই রোববার, বিশ্ব বাবা দিবস।

বিভিন্ন  দেশে জুন মাসের তৃতীয় রোববারকে বাবা দিবস হিসেবে পালন করা হয়ে থাকে।

সন্তানের কাছে বাবা বন্ধুর মতো। কারও বাবা পথপ্রদর্শক। অনেকেই বাবাকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানায়। অনেক দেশে কার্ডও উপহার দেওয়া হয়। যাদের বাবা বেঁচে নেই, তাঁরা হয়তো আকাশে তাকিয়ে অলক্ষ্যে বাবার স্মৃতি হাতড়ায়।

বাবা দিবসের প্রচলন বিংশ শতাব্দীর শুরু থেকেই। ১৯১৩ সালে যুক্তরাষ্ট্রের পিতৃদিবসে সরকারি ছুটি ঘোষণার বিল উত্থাপন করা হয়। ১৯৯৬ সালে যুক্তরাষ্ট্রে বাবা দিবসকে ছুটির দিন হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
আজকের এই বাবা দিবসে পৃথিবীর সকল বাবার প্রতি রইল শ্রদ্ধা আর ভালবাসা। আর যেসকল বাবা আজ আর পৃথিবীতে বর্তমান নেই তাদের আত্নার প্রতি রইল দোয়া। তাদের জন্য মহাল আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের দরবারে প্রার্থনা করছি, তিনি যেন সকল বাবাকে ক্ষমা করে দিয়ে তাদের সাথে সুন্দর আচরণ করেন।

‘রাব্বির হামহুমা কামা..রাব্বািইয়া নি..সগিরা’ হে আল্লাহ তুমি আমার পিতা-মাতার প্রতি যে ভাবে লালন পালন করেছে, তেমনি তুমিও তাদের প্রতি ঐরুপ সদয় আচরণ কর। আমিন।
ভাষা ভেদে শব্দ বদলায়। স্থান ভেদে বদলায় উচ্চারণও। তবে বদলায় না রক্তের টান। জার্মানিতে যিনি ‘ফ্যাট্যা’, এই বাংলায় তিনি ‘বাবা’। ইংরেজ সন্তান যতটা আপ্লুত হয়ে ‘ফাদার বা ড্যাড’ ডাকে, ভারতীয়দের ‘পিতাজি’ নিশ্চয় একই ব্যঞ্জনা তৈরি করে।
বাবার প্রতি সন্তানের সেই চিরন্তন ভালোবাসার প্রকাশ প্রতিদিনই ঘটে। তার পরও পৃথিবীর মানুষ বছরের একটা দিনকে বাবার জন্য রেখে দিতে চায়। যেমনটা মায়ের জন্য করেছে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে বাবা দিবসের প্রচলন। আজ বছর ঘুরে সেই রোববার, বিশ্ব বাবা দিবস।
বিভিন্ন দেশে জুন মাসের তৃতীয় রোববারকে বাবা দিবস হিসেবে পালন করা হয়ে থাকে।
সন্তানের কাছে বাবা বন্ধুর মতো। কারও বাবা পথপ্রদর্শক। অনেকেই বাবাকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানায়। অনেক দেশে কার্ডও উপহার দেওয়া হয়। যাদের বাবা বেঁচে নেই, তাঁরা হয়তো আকাশে তাকিয়ে অলক্ষ্যে বাবার স্মৃতি হাতড়ায়।
বাবা দিবসের প্রচলন বিংশ শতাব্দীর শুরু থেকেই। ১৯১৩ সালে যুক্তরাষ্ট্রের পিতৃদিবসে সরকারি ছুটি ঘোষণার বিল উত্থাপন করা হয়। ১৯৯৬ সালে যুক্তরাষ্ট্রে বাবা দিবসকে ছুটির দিন হিসেবে ঘোষণা করা হয়৷
- See more at: http://nationnews24.com/index.php/nation/item/13352-%E0%A6%86%E0%A6%9C-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B6%E0%A7%8D%E0%A6%AC-%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A6%BE-%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A6%AC%E0%A6%B8#sthash.xF3iJvoR.dpuf

বৃহস্পতিবার, ১২ জুন, ২০১৪

আজ পবিত্র লাইলাতুল বরাত

ঢাকা, ১৩ জুন : আজ আরবী বছরের ১৪ শাবান তারিখ। বিশ্বব্যাপী মুসলিম সম্প্রদায়ের নিকট মহিমান্বিত দিন। আরবিতে একে বলে পবিত্র লাইলাতুল বরাত বা শবে বরাত। বাংলায় যার অর্থ সৌভাগ্যের রজনী। মহান আল্লাহ তাআলা এ রাতে বান্দাদের জন্য তাঁর অশেষ রহমতের দরজা খুলে দেন। মহিমান্বিত এ রাতে ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা বিগত জীবনের সব ভুল-ভ্রান্তি, পাপ-তাপের জন্য গভীর অনুশোচনা করে মহান আল্লাহ তাআলার দরবারে কায়মনো বাক্যে ক্ষমা প্রার্থনা করেন। রোজা রাখা ও নফল নামাজ, জিকির-আজকার, পবিত্র কোরআন তিলাওয়াতের মধ্য দিয়ে বিন¤্র প্রার্থনা করেন ভবিষ্যৎ জীবনে পাপ-পঙ্কিলতা পরিহার করে পরিশুদ্ধ জীবনযাপনের জন্য।

তাছাড়া বর্ষপঞ্জিতে শাবান মাস একটি গুরুত্বপূর্ণ মাস। রাসূল (স:) এ মাসে বেশি-বেশি নফল রোজা রাখতেন। রমযানের প্রস্তুতির মাস হিসেবে তিনি এ মাসকে পালন করতেন। শবে বরাতের বরকত, ফযীলত ও মর্যাদা নিয়ে বেশকিছু হাদীসের বর্ণনা প্রচলিত আছে। একটি সহীহ হাদীসে বলা হয়েছে, “আল্লাহ তায়ালা মধ্য শাবানের রাতে তাঁর সৃষ্টির প্রতি দৃষ্টিপাত করেন এবং মুশরিক ও বিদ্বেষ পোষণকারী ব্যতীত সকলকে ক্ষমা করে দেন। আটজন সাহাবীর সূত্রে বিভিন্ন সনদে এই হাদীসটি বর্ণিত হয়েছে।

এ হাদীস থেকে প্রমাণিত হয় যে, শবে বরাত ফযীলতময় এবং এ রাতে আল্লাহ তাঁর বান্দাদেরকে ক্ষমা করে থাকেন। তবে ক্ষমা পাওয়ার শর্ত হলো শিরক ও বিদ্বেষ থেকে মুক্ত থাকা। এ দু'টি বিষয় থেকে যারা মুক্ত থাকবেন তারা কোন অতিরিক্ত আমল ছাড়াই এ রাতের বরকত ও ক্ষমা লাভ করবেন। কিন্তু শিরক ও বিদ্বেষ থেকে মুক্ত হতে না পারলে অন্য আমল দিয়ে ঐ রাতের বরকত ও ক্ষমা লাভ করা যাবে না। দু:খের বিষয় হলো, শবেবরাতে আমরা অনেক নফল আমল করলেও ঐ দু'টি শর্ত পূরণের চেষ্টা খুব কম মানুষই করে থাকি।

আমরা অবশ্যই পবিত্র শবেবরাতের বা নিসফে-শাবানের ফযীলত ও ক্ষমা প্রার্থনা করবো। তবে সাথে সাথে আমাদের চেষ্টা করতে হবে শিরক ও বিদ্বেষ থেকে মুক্ত থাকার। কারণ শবেবরাতের শিক্ষা এটাই। আর শবেবরাত উপলক্ষে যারা আলোকসজ্জা, আতসবাজি ও পটকাবাজি চর্চা করেন তারা খুবই ভুল কাজ করেন। কারণ এসব শবে বরাতের আদর্শ ও শিক্ষার পরিপন্থী কাজ। তাই এইসব কাজ থেকে দূরে থাকাই সমীচীন। আল্লাহ আমাদের সকলকে পবিএ এই রজনীর ফজিলত ও বরকত দান করুন। আমীন