তবে কিছু পার্থক্য রয়েছে, যেমন এই দুই ধর্মাবলম্বীদের মধ্যে বিয়ে হওয়ার হার খুবই কম। ইরানে আইন অনুযায়ী ইহুদিরা চাইলে বিচারক হতে পারেনা, সেনাবাহিনীতে কর্মকর্তা পর্যায়ে চাকরি করার সুযোগ নেই, তবে সৈনিক পর্যায়ে চাকরি করতে পারে। ছবির মতোই সুন্দর ছিল আমার গ্রামটা...
বর্ষা মৌসুমে নৌকা ছাড়া চলাচলের কোন উপায় থাকতোনা। যেন মহসড়কের পাশে বিচ্ছিন্ন ছোটএকটা দ্বীপ।
সমস্যা যত বড়ই হোক, আশা মানুষকে বাঁচিয়ে রাখে
আমরা অবশ্যই পারব৷ সমস্যা যত বড়ই হোক না কেন, আশা মানুষকে বাঁচিয়ে রাখে, নতুন কিছু উদ্ভাবন করতে অনুপ্রেরণা জোগায়৷ কিন্তু সমস্যাকে নিজের চোখে না দেখলে শুধু আশা দিয়ে সমস্যা সমাধান করা যায় না৷
ঘুরে আসুন নারায়ণগঞ্জের সব দর্শনীয় স্থানে
অপরূপ সৌন্দর্যে ভরপুর আমাদের বাংলাদেশের প্রায় প্রত্যেকটি জেলায়ই রয়েছে বিভিন্ন দর্শনীয় স্থান। যা আমাদের দেশকে করেছে আরো সমৃদ্ধ। শত বছর ধরে লাখো পর্যটককে করেছে আকৃষ্ট।
মানবসেবাই সর্বোত্তম ধর্ম: ফাদার তেরেসা
অসহায়, দুস্থ মানুষের সহায়তাই তার ধ্যান-জ্ঞান।সহিংসতার বিপরীতে তিনি অসহায়ের ত্রানকর্তা হিসেবে আবির্ভূত হন।তিনি পাকিস্তানের আবদুল সাত্তার ইদি।অসম্ভব মানবসেবার কারনে ৮৪ বছর বয়সী এই ব্যক্তি তার দেশে ফাদার তেরেসা নামেই বেশি পরিচিত।
‘মানসিক প্রশান্তির জন্য সাইকেল’
যাত্রা পথে পরিবহন নিয়ে দুশ্চিন্তা আর ভোগান্তি থেকে রেহাই পেতে বিকল্প হলো একটা বাই সাইকেল। তাছাড়া ইদানিং স্বাস্থ্যটার দিকেও মনে হচ্ছে একটু যত্ন নেয়া দরকার।
শনিবার, ১৯ আগস্ট, ২০১৭
কেমন আছে ইসলামিক ইরানের ইহুদীরা ?
তবে কিছু পার্থক্য রয়েছে, যেমন এই দুই ধর্মাবলম্বীদের মধ্যে বিয়ে হওয়ার হার খুবই কম। ইরানে আইন অনুযায়ী ইহুদিরা চাইলে বিচারক হতে পারেনা, সেনাবাহিনীতে কর্মকর্তা পর্যায়ে চাকরি করার সুযোগ নেই, তবে সৈনিক পর্যায়ে চাকরি করতে পারে। সোমবার, ৭ আগস্ট, ২০১৭
চন্দ্র গ্রহন: কতিপয় ভুল ধারনা ও আমাদের করনীয়
রাত ১০ টার কিছু পরে অফিস শেষে বাসার পথে পা বাড়িয়েই এক সুহৃদ কে ফোন করলাম। উদ্দেশ্য কর্মক্লান্তি দূর করে একটু খোস গল্প করে চনমনে হয়ে বাসায় ফেরা। ফোন ধরেই অপর প্রান্ত থেকে উদ্বেগের স্বরে প্রশ্ন, আমি কোথায়? রাস্তায়। জানাতেই আরো তটস্থ হয়ে জানালো আজ চঁন্দ্র গ্রহন। তাই বেশিক্ষন বাইরে থাকা যাবেনা, রাত ১ টার আগে খাবার খাওয়া যাবেনা..ইত্যাদি আরও কিছু বিধি নিষেধ। আমি বরাবরই কোন সংস্কারে বিশ্বাস করিনা। এতো বিধি নিষেধের কথা শুনে হাসতে হাসতেই আকাশের দিকে চেয়েতো অবাক।
কী সুন্দর চাঁদ ফুটেছে আকাশের বুকে। অন্য যে কোন সময়ের তুলনায় অধিক উজ্জল। যেনো একটা মস্ত ফ্লাড লাইট। আসলে ইট পাথর আর কংক্রিটের শহর ঢাকার এই বহুতল ভবনের জঙ্গলে থেকে কখনো আকাশে বিশালতা দেখারও ফুসরত হয়না কখনো, আবার সময় মিললেও কোনটা চাঁদ আর কোনটা সোডিয়াম লাইট পার্থ্যক্য অনুমান করা কঠিন হয়ে দাড়ায়।
![]() |
| আমার নিজের ফোনে তোলা চাঁদ |
কী হচ্ছে আজ...?
সোমবার মধ্যরাতে আংশিক চন্দ্রগ্রহণ ঘটে। ৯.৪৮ মিনিট থেকে রাত ২ টা পর্যন্ত দেখা যায় এ মহাজাগতিক দৃশ্য। একরেখায় এসে দাঁড়িয়েছে পৃথিবী, চাঁদ আর সূর্য।
মুলত কক্ষপথ পরিভ্রমণের একপর্যায়ে চাঁদ পৃথিবীকে মাঝখানে রেখে সূর্যের সঙ্গে এক সমতলে এবং এক সরলরেখায় চলে এলে সূর্যের আলো পৃথিবীতে বাধা পড়ে চাঁদে পৌঁছতে পারে না। তখনই ঘটে থাকে চন্দ্রগ্রহণ। অর্থাৎ উজ্জল চাদ তার সমস্ত আলো হারিয়ে অন্ধকারে নিমজ্জিত করবে পৃথীবিকে।
সূর্য বা চন্দ্র যে কোনো গ্রহণ থেকে পৃথিবী, সূর্য এবং চাঁদকে একই সরলরেখায় আসতে হয়, এবং এ সরলরৈখিক অবস্থান একটি চন্দ্র মাসে দুবার হয়। তাই সূর্যগ্রহণ ও চন্দ্রগ্রহণ জোড়ায় জোড়ায় হয়। একটি চন্দ্রগ্রহণের স্থায়িত্বকাল নির্ভর করে চাঁদের পৃথিবীর ছায়ার প্রদক্ষিণকালের ওপর, এটি কয়েক ঘণ্টা জুড়েও হতে পারে। যদি চাঁদ পৃথিবীর ছায়ার কার্নিশ দিয়ে প্রদক্ষিণ করে তাহলে তাকে আংশিক চন্দ্রগ্রহণ বলে কিন্তু চাঁদ যদি পৃথিবীর ছায়া ঢাকা সম্পূর্ণ অংশ দিয়ে প্রদক্ষিণ করে তাহলে তাকে পূর্ণ চন্দ্রগ্রহণ বলে।
২০১৭ সালে হলো আংশিক চন্দ্র গ্রহন
বিজ্ঞান কী বলে??
কিন্তু বৃহদাকার পাথরখন্ডগুলো যদি পৃথিবীতে আঘাত করে তাহলে কি হবে? প্রায় ৬৫ মিলিয়ন বছর আগে পৃথিবীতে এমনই একটি পাথর আঘাত হেনেছিল। এতে ডাইনোসরসহ পৃথিবীর তাবৎ উদ্ভিদ লতা গুল্ম সব ধ্বংস হয়ে গিয়েছিল। উত্তর আরিজন (Arizon) এ যে উল্কাপিন্ড এসে পরেছিল তার কারণে পৃথিবীতে যে গর্ত হয়েছিল তার গভীরতা ৬০০ ফুট এবং প্রস্থ ৩৮০০ ফুট।
বিজ্ঞানীরা বলেন, সূর্য অথবা চন্দ্রগ্রহণের সময় ঝুলন্ত পাথরগুলো পৃথিবীতে ছুটে এসে আঘাত হানার আশংকা বেশী থাকে। কারণ হচ্ছে,এসময় সূর্য,চন্দ্র ও পৃথিবী একই সমান্তরালে,একই অক্ষ বরাবর থাকে।
ফলে তিনটির মধ্যাকর্ষণ শক্তি একত্রিত হয়ে ত্রিশক্তিতে রুপান্ত্রিত হয়। এমনি মুহূর্তে যদি কোন পাথর বেল্ট থেকে নিক্ষিপ্ত হয় তখন এই ত্রিশক্তির আকর্ষণের ফলে সেই পাথর প্রচন্ড শক্তিতে, প্রবল বেগে পৃথিবীর দিকে আসবে, এ প্রচন্ড শক্তি নিয়ে আসা পাথরটিকে প্রতিহত করা তখন পৃথিবীর বায়ুমন্ডলের পক্ষে অসম্ভব হয়ে দাড়াবে। ফলে পৃথিবীর একমাত্র পরিণতি হবে ধ্বংস।
কতিপয় কুসংস্কার
চন্দ্র গ্রহন ও সূর্য গ্রহেনর সময় বিধি নিষেধ নিয়ে সমাজে নানা ধারনা প্রচলিত আছে। এসময় গর্ববতী মহিলাদের বাইরে না বেরুনো, গ্রহনের আগের রান্না করা খাবার গ্রহন চলাকালীন সময় না খাওয়া, না শোয়া বা ঘুমানোসহ অনেক কুসংস্কার প্রচলিত আছে। আদতে আধুনিক বিজ্ঞান বলে এসব ধারনার কোন ভিত্তি নেই। এটি প্রকৃতির অমোঘ নিয়মের স্বাভাবিক ঘটনা। জোয়ার-ভাঁটার পরিবর্তন ছাড়া এর অন্য কোন প্রভাব নেই।
সূর্যগ্রহণ ও চন্দ্রগ্রহণ সম্পর্কে ইসলাম কি বলে??
অধিকাংশ সময়েই আমাদের দেশের মানুষেরা অত্যন্ত আনন্দ আর কৌতুহল নিয়ে সূর্যগ্রহন এবং চন্দ্রগ্রহন প্রত্যক্ষ করে থাকে। সূর্য ও চন্দ্র যখন গ্রহনের সময় হয় তখন আমাদের প্রিয় নবী (সা.) এর চেহারা ভয়ে বিবর্ণ হয়ে যেত। তখন তিনি সাহাবীদের নিয়ে জামাতে নামাজ পড়তেন। কান্নাকাটি করতেন। আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করতেন।
আরবীতে সূর্যগ্রহণকে 'কুসূফ' বলা হয়। আর সূর্যগ্রহণের নামাজকে 'নামাজে কুসূফ' বলা হয়। দশম হিজরীতে যখন পবিত্র মদীনায় সূর্যগ্রহণ হয়, ঘোষণা দিয়ে লোকদেরকে নামাজের জন্য সমবেত করেছিলেন। তারপর সম্ভবত তার জীবনের সর্বাদিক দীর্ঘ নামাজের জামাতের ইমামতি করেছিলেনন। সেই নামাজের কিয়াম, রুকু, সিজদাহ মোটকথা, প্রত্যেকটি রুকন সাধারণ অভ্যাসের চেয়ে অনেক দীর্ঘ ছিল।
বিভিন্ন আলেমরাও তাই, এ সময় বেশি বেশি করে নফল নামাজ পড়া, কোরআন তেলাওয়াত করা, দান সদকা করা এবং মিসকিনকে খাওয়ানোতে উৎসাহিত করেছেন
মঙ্গলবার, ১১ জুলাই, ২০১৭
আরে ভাই, সাংবাদিকতায় কি এসব ভাবলে চলে??
চিকুনগুনিয়ারর প্রভাবে যেন অলসতায় পেয়ে বসলো। তার উপর ফেসবুসে ঢুকে সহকর্মী উজ্জলের জাতীয় অলস দিবসেন স্ট্যাটাস দেখে দেহটা যেন আরো আস্কারা পেয়ে বসলো।
তাছাড়া সকালে কাজও নেই তেমন গুরুত্বপুর্ন, এসাইনমেন্ট যেটা আছে তা বিকাল ৩ টায়। কিন্তু এরপরেও আমলাদের ফলোয়াপ বলে কথা...কাজ না থাকলেও সেক্রেটারিয়েটের গাছতলায় গিয়ে বসে থাকতে হবে। এটাই গুরুত্বপূর্ণ কাজ।
ঘড়ির কাটা ১১ টা ছুই ছুই করছে...। নাহ আর বসে থাকা যায়না ৩০ মিনিটের মধ্যে সেক্রেটারিয়েটের গাছতলায় পৌছুতে না পারলে কেলেংকারি হয়ে যেতে পারে। সব আলসেমি দুরে ঠেলে ফ্রেস হতে যাবো অমনি দেখি আকাশ মসাই প্রচন্ড গোস্বা করলেন। কথা বার্তা ছাড়াই শুরু করলেন কান্না। সে কি কান্না। তর্জন গর্জন দিয়ে কান্না। তখনই ভাবলাম এই সেরেছেরে..এত থামার কোন লক্ষন দেখছিনা।। এত কান্নায় নির্ঘাত বাসার সামনে হাটুপানি হয়ে যাবে।
এরই মধ্যে গোসল, নাস্তা সেরে দেখি মোবাইলের স্ক্রীনে ভাসছে চারটা মিসড কল। এর মধ্যে তিনটাই অফিসের নাম্বার থেকে। এতগুলো মিসড কলে বিচলিত হইনি, প্রত্যাশিতই ছিল।
এই মুহুর্তে উচিৎ কাজ হলো কল ব্যাক করা। কিন্তু এমন বৃষ্টিস্নাত সকাল সকাল কে বকা শুনতে চায়?নিশ্চয় ফোনে ভাইয়া যখন শুনবেন আমি এখনও বাসায়, তখন টেলিফোনের ওপারে চোখ কপালে তুলে তিনি রাজ্যের বিস্ময় প্রকাশ করবেন।
তারচে ভালো এমন বৃষ্টির কিছু দৃশ্য মোবাইলে ধারন করে বৃষ্টি বিলাশী কিছু বন্ধুর মনোরঞ্জন করি। করলামও..। কিন্তু তাতে আমারতো মনোরঞ্জন হচ্ছেনা। এসাইনমেন্টে যাওয়ার অস্থিরতাও কমছেনা। আর ওদিকে আকাশের কান্না থামারও কোন লক্ষন আপাতত দেখা যাচ্ছেনা।
তাই কূল না পেয়ে পাশের রুমের আরেক সংবাদ কামলা ভাইকে বললাম কী করা যায়? উনিও একই অস্থিরতায় ভুগছে। কারন প্রেসক্লাবে উনার চলছে গুরুত্বপুর্ন সেমিনার। মিস করলে লস। তাকে বললাম চলেন..উনি বলে এ্যাতো বৃষ্টিতে ক্যামনে যাই।
বল্লাম অারে ভাই, সাংবাদিকতায় এসব চলে? ঝড়, বৃষ্টি বা রোদ, কিংবা রাস্তায় হাটু পানি এসবকি আর বুঝবে রানডাউন! আপনি সুস্থ্য না অসুস্থ্য তা দিয়েত আর মিডিয়া চলবেনা। যথাসময়ে স্পটে উপস্থিত...। "আকতার আপনিকি শুনতে পাচ্ছেন?...হ্যা শুনতে পাচ্ছি। " লাইভে অনএয়ার থেকে শুনতে পাওয়াটাই শেষ কথা।
যাইহোক বৃষ্টি দিনে ড্রেস কী হবে? কি পড়ে যাবো। বসের কড়া নির্দেশ লুথার মতো যাওয়া চলবেনা। আমারও একই মত, রাষ্ট্রের সবচে গুরুত্বপুর্ন ব্যাক্তিদের অনুষ্ঠানে কি আর সেন্ডেল পড়ে যাওয়া কি শোভা পায়? কিন্তু রাস্তায় যে হাটু সমান পানি।
আরে ভাই সাংবাদিকতায় কি এতো কিছু ভাবলে চলে। আসেন বের হই। বাধ্যছেলের মতো ভাগিনার ছোট ছাতাটা নিয়ে বেরিয়ে পড়লাম। ছোটদের ছোট এই ছাতায় দুই জনের মাথা সুরক্ষা হলেও প্যান্টসহ পুরো শরির ভিজেই গেলো। বাধ্যহয়ে ভাবলাম পায়েহাটার পথটুকু রিক্সায় যাই। রিক্সাঅলাও প্রত্যাশার বাইরে কোন আচরন করলো না। বিশ টাকার ভাড়া ৪০ টাকা। খুবই ন্যায্য আবদার।
এরই মধ্যে রাজ্য জয়ের মতো অানন্দ নিয়ে সচিবালয়ে প্রবেশের পরই মনে হলো আজকেত গাছতলায় বসা যাবেনা। বুদ্ধি করে ঢুকলাম ক্যানটিনে। কিন্তু কতক্ষন..?? বৃষ্টি যে থামার নাম নেই। ক্যান্টিন বয় গুলোর ধৈর্য্যের বাধ যেন ভেঙ্গে গেলো। এক পর্যায়ে বাধ্য হয়েই কাছে এসে বললো মামা কাস্টোমার বসতে পারছেনা..মানে ছেড়ে দিতে হবে। কিন্তু আমাদেরও উপায় নেই। থাকতে হবে সাড়ে তিনটা অবধি। কেননা তখন কিছু একটা নিউজ হয়তো পাওয়া যাবে।
ক্যান্টিন বয়ের আচরনে মনে হলো, গ্রামে কিছু চালাক দোকানদারদের কথা যারা টিভি দেখায় খদ্দের আটকে রাখে আবার কিছু না কিনলে উঠায় দেয়।
যাইহোক এখানে যেহেতু কিছু কিনতে পারলাম না তাই চেয়ারটা ছেড়েই দিতে হলো। ক্যান্টিন থেকে বের হয়ে ফের দ্বিতীয়বার বৃষ্টি ধর্ষন হলাম।।
(( বি.দ্র. যারা এই লেখাকে নিছক ফাও প্যাচাল মনে করছেন তাদেরকে বলছি।। এছাড়া আর কী লিখবো বলেন? ৫৭ ধারার যাতা কলে যেভাবে সাংবাদিক নির্যাতন শুরু হইছে। তাই কী লিখে আবার কার আত্নসম্মানে অাঘাত দেই, পিছে মামলার ঝুঁকি। তারচে বরং নিজেকে নিয়ে খাজুরে গল্প লেখি তাতেও যদি হাতের চুলকানি কিছুটা কমে। ধন্যবাদ।।))
শনিবার, ২৭ মে, ২০১৭
সংযমের মাসেও কি সংযত হবেননা ব্যবসায়ীরা
![]() |
| খুচরা বাজারে পন্যের পসরা সাজিয়ে বসেছেন এক ব্যাবসায়ী |
ব্যাবসায়িরা সারা বছর পন্যমজুদ করে বসে থাকেন এই রমজানের অপেক্ষায়। আর রমজান এলেই পন্যমূল্যের পাগলা ঘোড়ার লাগাম ছেড়ে দেন। এমন ভাবেই ছেড়ে দেন যেন একে থামাবার বা নিয়ন্ত্রন করার শক্তি কারো নেই।
সারা পৃথিবীতে ন্যায়পরায়ন শাষকরা, ব্যাবসায়ীরা এই মাসে রোজাদারদের কষ্ট লাঘবে নানা উদ্যোগ নিয়ে থাকেন, ব্যাবসায়ীরা পন্যে ভেজাল দেয়া থেকে বিরত থাকেন, দামও মানুষের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে।অথচ আমাদের দেশে এই পরিস্থিতি পুরো উল্টো, বাজারে নিত্য পন্যের পর্যাপ্ত মজুদ থাকা সত্বেও হু হু করে বাড়ছে নিত্যপণ্যের দাম।
নিউজ পোর্টাল অর্থসুচকের একটি প্রতিবেদনে আজকের বাজার পরিস্থিতিতে দেখা যায়,
" এদিকে আজ রোববার রাজধানীর কয়েকটি বাজার ঘুরে দেখা গেছে, গত কয়েক সপ্তাহ ধরে বাড়তি দামেই বিক্রি হচ্ছে সব ধরনের নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য। গত শুক্রবারের বাজারে কিছু পণ্যের দাম আরেক দফা বেড়েছে। সপ্তাহের ব্যবধানে প্রতি কেজি রসুনের দাম ১০-৫০ টাকা এবং আদার দাম ১০ টাকা হারে বাড়ানো হয়েছে।
গত সপ্তাহে কেজি প্রতি ১৩০ টাকা দরে বিক্রি হওয়া দেশি রসুন আজকের বাজারে ১৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আর ভারতীয় রসুনের দাম ২৩০ টাকা থেকে বেড়ে ২৮০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। গত সপ্তাহে ১১০ টাকা দরে বিক্রি হওয়া চায়না আদা ১০ বেড়ে আজকের বাজারে ১২০ টাকা এবং ক্যারালা আদা ১৪০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
এভাবেই সপ্তাহের ব্যবধানে বেড়ে চলেছে সব পণ্যের দাম। "
এই হলো আমাদের বাজার পরিস্থিতি। প্রতিবেদনটিতে পন্যবাজারের অস্থিতিশীলতার কয়েকটি কারন তুলে ধরেছে। যেখানে বলা হয়েছে, কিছু আমদানিকারক ও পাইকাররা তাদের টার্গেট অনুযায়ী পণ্য গুদামজাতকরণের পরই পণ্যের দাম বাড়িয়ে দেয়। আর কিছু অসাদু পাইকার ব্যবসায়ী রমজানের আগে প্রচুর পণ্য মজুদ করে রাখেন। ফলে কৃত্রিম সংকট তৈরি হয়। আর দাম বাড়তে থাকে। প্রতি দফা দাম বাড়ার পর অল্প অল্প মাল বাজারে ছাড়েন তারা।"
দ্রব্যমুল্য বৃদ্ধির অভিযোগ বা কারনটা খুবই স্পষ্ট। এমনকি এই অভিযোগ নতুন কিছুও নয়, বছরের পর বছর একই অভিযোগ। তাহলে দায়টা কার।
সরকারের পক্ষ থেকে বার বার জোড় গলায় বলা হচ্ছে রমজানে পন্যের পর্যাপ্ত মজুদ রয়েছে। ফলে দামও বাড়বেনা। কিন্তু বাস্তবে কী হচ্ছে এসব। তাহলেকি বলবো, সরকার মহাশয় এখানেও অসহায়?? দিন দিন তারা তাদের ব্যার্থতারই প্রমান দিচ্ছে?? যার মাশুল গুনতে হচ্ছে সাধারন রোজাদারদের।
বাজার ব্যাবস্থাপনার এ চরম বিশৃংখল পরিস্থিতিতে ভুক্তভোগী হওয়া ছাড়া আমার মতো সাধারন নাগরিকের হয়তো কিছুই করার নেই। তবুও আমাদের এ কষ্টের কথা শোনার কি কেউ থাকবেনা? তিনি আল্লাহ একজন অবশ্যই আছেন। আমরা তার কাছেই অভিযোগ জানাই। হে আল্লাহ, সংযমের এ মাসে তুমি অসাধু, মুনাফাখোর ব্যাবসায়ী, ঘুষ খোর কর্মকর্তাদের সংযত হওয়ার তৌফিক দাও। নয়তো তোমার ফয়সালাই তাদের দেখিয়ে দাও। যেমন ফয়সালা হয়েছিল, হযরত মুসা আলাইহিসালাম এর জাতির উপর।
যারা তোমার নির্দেশনা অমান্য করে রবিবারে ইবাদতের জন্য আসা মাছ ধরে ধরতো।
সুতরাং সবক্ষেত্রে অাল্লাহর ফয়সালাই চুড়ান্ত। আমরা সবাই যেন তার গজব থেকে বেঁচে থাকতে পারি, এবং রমজানের পূর্ন সওয়াব অর্জন করতে পারি সে জন্য তৌফিক কামনা করি।
আল্লাহ আমাদের সবাইকে হেফাজত করুন, আমিন।
(২৮-০৫-২০১৭)
রবিবার, ১৪ মে, ২০১৭
আমার মা: জীবন সংগ্রামে হার না মানা এক মহিয়সী নারী
![]() |
| হাসপাতালের বারান্দায় আমি আর মা |
ব্যাক্তি জীবনে আমার মা- কে নিয়ে ব্যাখা করার মতো সঠিক কোন বাক্য খুঁজে পাইনা। হয়তো একটা বই ই লিখে ফেলতে পারব- 'আমার মা কে যেমন দেখেছি' এমন শিরোনামে। ছোট বেলা থেকে আমি মারাত্নক ডানপিটে থাকার কারনে অসম্ভব রকম জ্বালিয়েছি মা কে বাবাকে।
তবে জীবন জীবিকার তাগিদে বাবা প্রবাসী জীবন বেছে নেয়ার কারনে মা-ই হয়ে উঠেন আমাদের তিন ভাই বোনের একমাত্র অভিবাবক। লেখাপড়া, জীবনাচার, লেনদেন, লোক সমাজে চলাফেরা সব কিছুতেই মা আমাদের গাইড।
যদিও তিনি নিজে লেখা পড়ায় প্রাথমিকের গন্ডি পার হতে পারেননি, কিন্তু জ্ঞানে আমি ইঞ্জিনিয়ারিং এ গ্রাজুয়েশন করেও তাকে টপকাতে পারিনি এখনো। আমার অন্য ভাই বোনরাত নয়ই। মা যখন প্রথম আমাদের বাড়িতে আসেন তখন তার বয়স ছিল তের কি চৌদ্দ। অথচ এই অল্প বয়সে, শিশুকালেই তিনি যে দক্ষতায় আমাদের সংসারের দায়িত্ব কাধে নিয়েছিলেন, আমরা ভাই বোনরা তারচে দ্বিগুন বয়সের হয়েও এখনও সেই দায়িত্বটা বুঝেই উঠতে পারিনি। সক্ষমতাতো দুরের কথা।
ক্যালেন্ডারের পাতাগুনে বয়স হয়তো হয়েঁছে ঠিকই ২৭ কিংবা ২৮। কিন্তু তার কাছে এখনো ৭/৮ বছরের শিশু থেকে বেশি বড় হতে পারিনি। দেশের কত প্রান্তে ঘুড়ে বেরিয়েছি, কত মানুষের সাথে চলাফেরা করেছি, করছি নিত্যদিন, কিন্তু মানুষ চেনায় এখনো তার কাছে আনাঢ়ি। অর্ধেকটাও প্রজ্ঞাবান হয়ে উঠতে পারিনি।
প্রতিদিন কত চ্যালেঞ্জিং কাজ করি, অথচ এখনো মায়ের মতো অতটা সাহসীই হয়ে উঠতে পারিনি। যখনই কোন কাজে বুকটা দুরু দুরু করে ভেঙ্গে পরি তখন মা সাহস যোগান।
একটা ঘটনা না বললেই নয়, সে বার আমি যখন চরম বিপদে পড়লাম। গুম হয়ে জীবন মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে ছিলাম, তখন আমার ধারনা হয়েছিল আর কোন দিন হয়তো পৃথিবীর আলো দেখবোনা। স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতে পারবো না। তখন পৃথীবির জন্য নয় শুধু আমার মায়ে মুখটা কল্পনা করেই কেঁদেছি দিন রাত। তবে সপ্তাহ দুই পর যখন জীবনে কিছুটা আশার আলো ঝলকানি দিল তখন ভেবেছিলাম মায়ের সাথে প্রথম সাক্ষাতে অামি খুব শক্ত থাকবো। কারন আমার দুরবস্থা জানলে মা হয়তো অনেক কষ্ট পাবে। কিন্তু কিসের কী! মা কে দেখেই আমার হৃদয় ভেঙ্গে কান্না চলে এলো। আমি যখন হাউ মাউ করে কেঁদে উঠলাম, তখন আমার মা আমাকে অবাক করে দিয়ে বীরের মতো, একজন সেনাপতির মতো আমাকে সাহস দিলো। বললো বাবা, কাঁদো কেন? তুমি না পুরুষ মানুষ। সেই দিন আমি তার চোখে এক ফোঁটা পানিও দেখিনি বরং তার চোখে দেখেছিলাম দৃঢ়তার ঝলকানি। তার সেই সাহসী ভুমিকা আমাকে প্রেরনা যুগিয়েছে শত কষ্টের মাঝেও দাত কেলিয়ে হাসার। এনে দিয়েছে দুনিয়াকে তুচ্ছ করার মানসিক শক্তি । যেটা আমার কল্পনাতেও ছিলনা। কঠিন বিপদে একজন দুর্বল মহিলা কীভাবে হারমানা সৈনিকের মনোবল ফিরিয়ে দিতে পারে তার উদাহরন আমার মা।
মায়ের যোগানো সেই সাহস আমাকে অারো অনেক দুর নিয়ে যাবে, পৃথিবীকে জয় করার শক্তি এনে দিবে এটাই আমার বিশ্বাস।
শুধুকি সাহস আর বুদ্ধিমত্তা! যাপিত জীবনে ফ্যাশন, লাইফস্টাইলেও মায়ের কাছে খ্যাত ছাড়া ভালো কোন পদবি পাইনি এখনো।
মা কে ছাড়িয়ে যাওয়ার আমার এ ইচ্ছা সেই ক্লাস সেভেন কি এইট থেকেই। সেই থেকে অদ্যবধি একটাই চেষ্টা করে যাচ্ছি জীবনের সব ক্ষেত্রে মা-কে ছাড়িয়ে যাবার। কিন্তু আজও তার ধারে কাছে যেতে পারিনি। মাঝে সাঝে তাকে এগিয়ে যাবার চেষ্টা করি কিন্তু পরক্ষনেই কুপোকাত। বুমেরাং হয়ে ফিরে আসতে হয় তার কাছেই, নত হয়ে বলতে হয় ভুল হয়ে গেছে। তবে এত কিছুর পরও মা চিরস্থায়ী রাগ করেন না। যদিও সাময়িক বকাঝকা করে, তবে বুঝতে পারি এটা তার রাগ না অভিমান। সবক্ষেত্রে তাকে ছাড়িয়ে যেতে পারলে তিনিই হয়তো সবচে বেশি খুশি হবেন।
যাই হোক জীবন যুদ্ধে মা আমার এখন অনেকটাই ক্লান্ত। বয়সের ভারে না হলেও দায়িত্বের ভারে কাবু তিনি। বুঝতে পারি, তিনি এখন আর অাগের মতো অতটা চাপ সইতে পারেননা। তবুও তিনি এখনো অদম্য। তার এত সংগ্রামের পরেও আমরা ভাইবোনরা এখনো সু প্রতিষ্ঠিত না হতে পারায় তিনি আরো বেশি ভেঙ্গে পড়ছেন। প্রায় রাতেই দেখি ঘুমের ঘোরে আমার/আমার ভাইয়ের নাম ধরে কেঁদে উঠেন। গোঙ্গানি দিতে দিতে আবার ঘুমিয়ে পড়েন। তখন কষ্টে বুকটা ভেঙ্গে যায়। রাগা রাগি করি, বলি এতটা চিন্তা করার কী আছে আমাদের নিয়ে। আল্লাহতো একটা ফয়সালা করেই রেখেঁছেন আমাদের জন্য। তবুও তিনি ভাবনাহীন হতে পারেন না।
মা কে ছাড়িয়ে যাবার এই খেলায় নেমে, এখন দেখছি আমার মায়ের আরেক উল্টো রূপ। তাকে যতটা সাহসী মনে করতাম, আমাদের ব্যার্থতায় তিনি ততটাই দুর্বল। আমরা একদিন আরো বড় হবো, আরো স্বাবলম্বি হবো, সবকিছু ঠিক ঠিক বুঝে নেব, এমন হাজারো আশার বানী তাকে আশ্বস্ত করতে পারেনা কিছুতেই।
জীবন যাপনের এতো এতো সমীকরনে যে কথাটি কখনোই মুখ ফুটে বলা হয়নি, আমরা তাকে কতটা ভালোবাসি, কতটা অনুভব করি। তাকে ছাড়াযে আমাদের জীবনটাই অন্ধকারে ঢেকে যাবে।
যাই হোক, পৃথীবির সব মায়েরাই সুন্দর। অনন্য তাদের ভালোবাসা, মমতা। জীবন সংগ্রামে হার না মানা এক মহিয়সী নারী মা। সন্তানের ভবিষ্যত ভবিষ্যত করে যে তার অতীত বর্তমান ভবিষ্যত সব হারিয়েছে। আজকের এ দিনটাতে পৃথীবির সব মা য়ের জন্যই রইল ভালোবাসা।
রবিবার, ৩০ এপ্রিল, ২০১৭
মাংস ব্যবসায়ীদের সমস্যার সমাধান হবে, ভোক্তাসমস্যার সমাধান হবেকি ?
রবিবার, ২৩ এপ্রিল, ২০১৭
হাওরবাসীর দুর্দিন: জনসাধারনের ত্রাণ তৎপরতা কই?

বৃহস্পতিবার, ২০ এপ্রিল, ২০১৭
এলেন বাড়ির বৈঠক কোন সমাধান নয়, চক্রান্তেরই অংশ
![]() |
| কার স্বার্থে চালু হলো সিটিং সার্ভিস ; |
গত ৪/৫ দিনে মানুষের অবর্ণনীয় দুর্ভোগে অনেকেই সিটিং সার্ভিস পুনরায় ফেরা নিয়ে মায়া কান্না দেখিয়েছেন। অবশ্য যারা এমনটি করছে চাহিদার জন্য না, বরং এটা তাদের অধৈর্যের বহিপ্রকাশ।
যাই হোক- গতকয়েকদিনেরর মহা নাটকের আপাতত একটা রফা হয়েছে, বুধবারের এলেনবাড়ির বৈঠকে। কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত ১৫ দিনের জন্য স্থগিত করা হয়েছে। মানে পিছু হটেছে সরকার। দোর্দণ্ড প্রতাপ দেখিয়েছে পরিবহন মালিকরা। তারা ভাড়া কমায়নি, সেবার মান বাড়ায়নি, জনগনের সাথে তাদের আচরন বদলায়নি উল্টো এনবিআর থেকে ট্যাক্স কমানোর ঘোষনা নিয়ে নিছেন। সিটিং চালুর বৈধতা নিয়ে নিছেন। আপাত দৃষ্টিতে এই বৈঠকে তাদেরই জয় হয়েছে, পরাজয় ঘটেছে সাধারন যাত্রী ও সরকারের।
তাহলে এখন চোখ রাখা যাক গতকালের সেই বৈঠকে- এটাকে আমি বৈঠক বলবোনা। বলবো ষড়যন্ত্রের এক গোপন শলাপরামর্শ হয়েছে এলেন বাড়িতে। কারন জনগনের ভোগান্তি হলেও জনগনকে সম্পৃক্ত করা হয়নি ওই বৈঠকে। ছিলনা সরকার পক্ষের কর্তা ব্যাক্তিরাও। অথবা নিয়ম অনুযায়ি যাত্রী সাধারণকে নিয়ে গণশুনানীর আয়োজন করা যেত।
অথচ বৈঠক করেছে ঘুষখোর আর দুর্ণীতিতে আকণ্ঠ নিমজ্জিত বিআরটিএর কতিপয় কর্মকর্তারা এবং এই নাটকের মুল খলনায়ক বাস মালিকরা। তাহলে কী আলোচনা হতে পারে সেই বৈঠকে?? তারা নিজেদের স্বার্থেই আলোচনায় বসেছিল সেখানে।
রাজধানীর ফার্মগেটের এলেনবাড়িতে বিআরটি এর কার্যালয়
|
ঘটনার একটা যৌক্তিক ও গ্রহনযোগ্য একটা সমাধান দিতে এদের বাইরে ২ জনকে রাখা হলো তাদের একজন নিসচা চেয়ারম্যান ইলিয়াস কাঞ্চন, উনি অবশ্য সরকারের সিদ্ধান্ত থেকে সরে না আসার প্রস্তাব করেছিল। তার যুক্তি হিসেবে তিনি বলেছেন অতীতে সরকার অনেক উদ্যোগ নিয়ে মাঝপথে আটকে গেছে। পরে আর সেই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হয়নি। তাই এবার পিছু হটা উচিত হবে না। কিন্তু তার আপত্তি হাওয়ায় মিলে গেছে।
বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন সাংবাদিক নাঈমুল ইসলাম খান। শুনেছি তারই মস্তিস্ক থেকে নাকি সমাধানের এই মহান থিওরী প্রসব হয়েছে। যদিও তার নৈতিকতা নিয়ে আমার ঘোর আপত্তি অাছে। উনি টকশোতে যখন কথা বলে তখন মুগ্ধ হয়ে শুনি। কিন্তু বাজারে এ-ও রটনা আছে যে কোন বিষয় স্টাবলিশ করতে তাকে নাকি কন্টাক করে নিয়ে যাওয়া হয় যুক্তি তর্ক দিয়ে বিষয়টি প্রতিষ্ঠা করার জন্য। এবং তিনি এই লাইনে অনন্য। আর গতকালও তিনি ঠিক কার স্বার্থে কথা বলতে সেই মিটিংএ হাজির ছিলেন তা নিয়ে আমার যথেষ্ট সন্দেহ রয়েছে।
একটি জনপ্রিয় দৈনিক পত্রিকা প্রথম আলো থেকেই কোট করছি গতকাল বৈঠকে তার ভূমিকা, সিটিং সার্ভিস বন্ধের অভিযান ১৫ দিন স্থগিত রাখা এবং এটি আইনি কাঠামোতে এনে চালু করার পরামর্শটি সাংবাদিক নাঈমুল ইসলাম খানের কাছ থেকে এসেছে বলে বৈঠক সূত্র জানায়। একপর্যায়ে বিআরটিএর চেয়ারম্যান বৈঠক থেকে উঠে নিজ কক্ষে ঘুরে আসেন। এরপরই সাংবাদিকদের ভেতরে প্রবেশের সুযোগ দেওয়া হয়।
এ সময় তিনি বলেন, ‘একটা উদ্দেশ্য নিয়েই মালিকেরা সিটিং সার্ভিস বন্ধ করেছিলেন। তাঁদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আমরা তাঁদের সে উদ্যোগে সহায়তা করেছি। তবে সিটিং সার্ভিস বন্ধ হওয়ার পর নারী, শিশু, বয়স্ক ও প্রতিবন্ধী যাত্রীদের অসুবিধার কথা বিভিন্ন গণমাধ্যমে উঠে আসে। এ জন্যই সিটিং সার্ভিস বন্ধের সিদ্ধান্ত ১৫ দিন স্থগিত করা হয়েছে।’`
আমার বক্তব্য হলো, ওই বৈঠকে বাস কর্তৃপক্ষরা নিজেদের স্বার্থে কথা বলেছে। দেশ বা জনগনের স্বার্থ নয়।
কালকে কেন, কেউ জোড়ালো ভাবে সরকারের সিদ্ধান্ত অমান্যকারি বাস মালিকদের কঠোর শাস্তির দাবি জানালোনা?? আইনে আছে কেউ কারন ছাড়া বাস চলাচল বন্ধ রাখলে তাদের রুট পারমিট বাতিল করা হবে। সেই আইনের প্রয়োগ কেউ দেখালোনা কেন? জনগনের প্রতিনিধি আমাদের দুই সাহসী মেয়র মহোদয়দের রাখা হলোনা কেন ওই বৈঠকে, মাননীয় সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ছিলনা কেন ঐ বৈঠকে। তাহলে দেখতাম বাস মালিকদের কতবড় বুকের পাটা ছিল গুন্ডামী করার।
অতীতের কর্মকান্ডের জন্য জনগনের প্রতিনিধি হিসেবে ঢাকার দুই মেয়র এবং মাননীয় সেতু মন্ত্রী সাহেবের প্রতি আমাদের যথেষ্ট আস্থা রয়েছে। এবং আমাদের বিশ্বাস তাদের সিদ্ধান্তেও জনগনের আশা আকাংখার প্রতিফলন ঘটতো।
| রাজধানীর ফার্মগেটের এলেনবাড়িতে বিআরটি এর কার্যালয় |
অথচ এই দুই অভিযোগের কোন সুরাহা না করে বাস মালিকদের অনৈতিক দাবির কাছেই হার মেনেছে মেরুদন্ডহীন সরকারি কর্মকর্তারা। তাই আমার বিশ্বাস বুধবার বিকেলে এলেন বাড়ির ওই বৈঠকটি কোন বৈঠক ছিলনা, ছিল জনগনকে ঠকানোর এক গোপন ষড়যন্ত্র।
- আকতার হাবিব, সাংবাদিক, ঢাকা।
রবিবার, ১৬ এপ্রিল, ২০১৭
বন্ধ হলো সিটিং সার্ভিস: ভোগান্তি কমবে তো নগরবাসীর ?
“সবচেয়ে বড় দুর্ভাগ্য যে। বাসের কোনো টিকেট সিস্টেম নাই। যাত্রীদের সাথে অনেক সময় চরম পর্যায়ের খারাপ ব্যবহার করা হয়। অনেকে জানেনা গন্তব্য স্থলের ভাড়া কত। যার থেকে পারে ইচ্ছা মতো ভাড়া নেওয়া হয়। বাস এক জায়গায় অনেক সময় ধরে দাঁড়িয়ে থাকে। প্রতিবাদ করতে গেলে খারাপ ব্যবহারের শিকার হতে হয়। আরেকটা খারাপ দিক হলো কার আগে কে যেতে পারে। চলন্ত অবস্থায় যাত্রী উঠতে, নামাতে গিয়ে অনেকে সময় এক্সিডেন্টের ঘটনা ও ঘটে। বাস গুলো কে নির্দিষ্ট স্টপিস মেইনটেইন করার জন্য সরকারকে অনুরোধ করা হলো। ”
যদিও রাজধানীতে সিদ্ধান্ত কার্যকরে ৫ টি ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করা হচ্ছে কিন্তু এটা কতদিন চলবে তা নিয়েও সন্দিহান সাধারন মানুষ।
শনিবার, ১৫ এপ্রিল, ২০১৭
প্রসঙ্গ ফেসবুক: যখন পড়বেনা মোড় পায়ের চিহ্ন এই বাটে...
এই একাউন্টে আমার ফ্রেন্ডের সংখ্যা খুবই কম সাড়ে ৩ শ'র কাছাকাছি। কিন্তু তাদের ৮০ শতাংশি রিয়েল লাইফ ফ্রেন্ড। অপরিচিত কাউকে নেয়া হয়না তেমন। নতুন আইডিতে তাদের অনেকের সঙ্গেই যুক্ত হতে পারলেও অনেকেই রয়েগেঁছে আড়ালে। কেউকেউ বিদেশ বিভূঁইয়ে প্রতিষ্ঠা পেয়েছে।।সবকিছু মিলিয় ৫ মিনিটের জার্নি ঘন্টা ছাড়ালো কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হলোনা।।
সবচে বেশি যে বিষয়টি মনে দাগ কেটে গেলো..তা হলো, মেসেঞ্জার বক্স।। সেটা খুলতেই যেন খবরের ডালা খুলে দিল ফোসবুক। কুশলাদি বিনিময় করে কত কত আপনজন মেসেজ করে রেখেছে।
কেউ জরুরি অতি জরুরি খবর দিতে বা নিতে চেয়েছে, কেউবা শ্রেফ খোজ খবর জানতে চেয়েছে। নাম্বার চেয়েছে অনেকেই।
সবচে মজার বিষয় হলো, গেল সপ্তাহখানেক অাগে ২৬তম জন্মদিন গেলো।। আর এই আইডিতে ঢুকে দেখি...২০১৪/১৫ সালের পাঠানো জন্মদিনের শুভেচ্ছার জবাব দেয়া হয়নি। এমনকি দেখতেও পাইনি আমি...কেউ কেউ লিখেছে জরুরি ভিত্তিতে যোগাযোগ করার কথা।.....।
পুরান আমার এই প্রোফাইল চেক করে মনে হলো..কোন মৃত মানুষের ফেসবুকে ঢুকেছি আমি। যেখানে হঠাৎ করেই ব্যাবহারকারির প্রস্থানের কারনে থমকে গেছে সব খবর। বন্ধ রয়েছে সব আপডেট। ভাবতেই মনটা বিষিয়ে উঠল। আসলেইকি মরে ছিলাম আমি এই কয় বছর?
কিছুদিন আগে কোন কোন অনলাইন পত্রিকায় নিউজ দেখেছিলাম, এপর্যন্ত কোটি খানেক ফেসবুক ইউজারের মৃত্যু হয়েছে। নিউজের সুত্র অবশ্য মৃতমানুষদের কোন জরিপনা, বরং ফেসবুক কর্তৃপক্ষ ধারনা প্রসুত একটি সমীক্ষা দিয়েছে। কারন কেউ মারা গেলেত আর স্ট্যাটাস দিয়ে বা ফেসবুক কর্তৃপক্ষকে মেসেজ দিয়ে জানিয়ে যেতে পারেনা..যে জনাব, জাকারবার্গ আমি মরে যাচ্ছি। তাই আমার একাউন্টটি স্থগিম করুন। সম্ভবত, যেসব ফেসবুক ইউজার দীর্ঘ দিন তার আইডিতে ঢোকেনা, তাদেরকেই মৃত সাব্যস্ত করেছে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ।
তাহলেকি আমাকেও তারা মৃতদের তালিকায় ফেলেছিল?? এই প্রশ্নটিই বারবার ঘুরপাক খাচ্ছে মনে।
আরও খারাপ লাগার যে বিষয়টি লক্ষ করলাম, তা হলো- এই কয় বছরে সত্যি সত্যি কিছু আইডির ফেসবুকিয় মৃত্যু ঘটেছে। ( মানে ডিএ্যাকটিভেট হয়েছে বা ব্লক করে দেয়া হয়েছে।) অনেকেই আবার সামাজিক নিরাপত্তার স্বার্থে নাম বদলে ফেলেছেন, যার কারনে গভীর অনুসন্ধান ছাড়া তাদের খুজে বের করা মুশকিল। যাইহোক, আজকের এই উপলব্ধির মুল কথা হলো, এই যে এখন সারাদিন ফেসবুকে লগইন থাকি। এত এত বন্ধুদের সাথে যোগাযোগ দরকারি আলাপ..এত বিপ্লবী স্ট্যাটাস...দিন শেষে সত্যিকি এগুলোর মানে আছে? এত জরুরি আপডেটকি কখনোই আমাদের অগ্রগামি করেছে? নাকি সময়ের অতল গভীরেই হারিয়ে যাবে সব রাগ অনুরাগ। মিথ্যা প্রমানিত হবে সব আবেগ অনুভুতি।
- আকতার হাবিব
১৬.০৪.১৭ ইং (রাত ০২.০৩ মিনিট)

























